গোর-ই-শহীদ মসজিদ: ইতিহাসের ছায়ায় দাঁড়ানো এক নীরব সাক্ষী

৩টি ছবি · ২৬ আগস্ট, ২০২৬
"গোর-ই-শহীদ মসজিদ" লেখা ফলকসহ এই তোরণই এতিমখানা চত্বরের ভেতরের এই মসজিদের প্রবেশপথ। ১৯৩৫ সালে ঢাকার জেলা জজের নির্দেশে আলহাজ ফরিদউদ্দিন আহমদ সিদ্দিকী এর মুতাওয়াল্লি নিযুক্ত হয়েছিলেন। একসময় এই এলাকার নাম ছিলো গো-ই শহীদ বা গোড়ে শহীদ।
ছবি তুলেছেন মুহাম্মাদ রাহাতুল ইসলাম

"গোর-ই-শহীদ মসজিদ" লেখা ফলকসহ এই তোরণই এতিমখানা চত্বরের ভেতরের এই মসজিদের প্রবেশপথ। ১৯৩৫ সালে ঢাকার জেলা জজের নির্দেশে আলহাজ ফরিদউদ্দিন আহমদ সিদ্দিকী এর মুতাওয়াল্লি নিযুক্ত হয়েছিলেন। একসময় এই এলাকার নাম ছিলো গো-ই শহীদ বা গোড়ে শহীদ।

গাছপালার আড়াল থেকে উঁকি দিচ্ছে মসজিদের সবুজ গম্বুজ আর মিনার। ১৯৩৮ সালে মুতাওয়াল্লি নিজে উদ্যোগ নিয়ে এই মসজিদটি সম্প্রসারণ করেছিলেন।
ছবি তুলেছেন মুহাম্মাদ রাহাতুল ইসলাম

গাছপালার আড়াল থেকে উঁকি দিচ্ছে মসজিদের সবুজ গম্বুজ আর মিনার। ১৯৩৮ সালে মুতাওয়াল্লি নিজে উদ্যোগ নিয়ে এই মসজিদটি সম্প্রসারণ করেছিলেন।

খিলান আর কারুকাজ করা বারান্দাসহ মসজিদের মূল কাঠামো আজও প্রতিদিনের নামাজের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ইতিহাস জড়িয়ে আছে পাশের সেই ভুলে যাওয়া মাজারের সঙ্গে, যেখানে ঘুমিয়ে আছেন ১৮৫৭ সালের নাম-না-জানা শহীদ সিপাহিরা।
ছবি তুলেছেন মুহাম্মাদ রাহাতুল ইসলাম

খিলান আর কারুকাজ করা বারান্দাসহ মসজিদের মূল কাঠামো আজও প্রতিদিনের নামাজের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ইতিহাস জড়িয়ে আছে পাশের সেই ভুলে যাওয়া মাজারের সঙ্গে, যেখানে ঘুমিয়ে আছেন ১৮৫৭ সালের নাম-না-জানা শহীদ সিপাহিরা।

নতুন গল্প জানুন সবার আগে

প্রতি সপ্তাহে ইতিহাস আর ঐতিহ্যের নতুন নিবন্ধ সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।