দোলমঞ্চ ও স্নানমঞ্চ এর পরিচিতি
রানী ভবানী (১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ) খানগঞ্জ গ্রামে একটি মন্দির, একটি দোলমঞ্চ এবং একটি স্নানমঞ্চ নির্মাণ করেন। কথিত আছে একদা রানী ভবানী বজরা নিয়ে পদ্মা নদী পাড়ি দেওয়ার সময় ঝড়ের কবলে পতিত হয়ে খানগঞ্জ গ্রামে আশ্রয় গ্রহণ করেন। গ্রামবাসীর আতিথেয়তায় মুগ্ধ হন এবং কৃতজ্ঞতা স্বরূপ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য শ্রী শ্রী কালাচাঁদ গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মন্দির নির্মাণ করেন। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান যথাযথভাবে পালনের নিমিত্ত একটি দোলমঞ্চ এবং একটি স্নানমঞ্চ নির্মাণ করেন। বর্তমানে দোলমঞ্চ এবং স্নানমঞ্চ পরিত্যক্ত হলেও বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের পাশাপাশি দুর্গাপূজা, কাত্যায়নী পূজা, সরস্বতী পূজা ও রথ যাত্রার আয়োজন করা হয়। দোলমঞ্চ এবং স্নানমঞ্চ দেয়ালে চমৎকার ফুল, লতা পাতা ও জ্যামিতিক নকশার কারুকাজ খচিত পোড়া মাটির ফলকচিত্র দ্বারা শোভিত করা হয়েছে।