বালাসুর জমিদার বাড়ি এর পরিচিতি
ভাগ্যকূলের জমিদারদের পূর্ব-পুরুষদের আদি-বাসস্থান ছিল বিক্রমপুরের মধুপুর গ্রামে। প্রজানুরাগী ভাগ্যকূল জমিদার ১৮৯০ সালে ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালে চক্ষুবিভাগ খুলেছিলেন। যার প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সরকার রাজা উপাধি প্রদান করেন এবং ১৯১৪ সালে রায় বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত করেন। সারা ভারতবর্ষ জুড়ে স্টিমার ব্যবসায় জমিদার পরিবারটির বেশ সুখ্যাতি ছিল। ভাগ্যকূলের বালাসুর জমিদার বাড়িটি যদুনাথ রায় আনুমানিক ১৯ শতকে নির্মাণ করেন। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত যদুনাথ রায় এই বাড়িতে অবস্থান করেছেন। বালাসুর জমিদার বাড়ি মূলত প্রায় চৌদ্দ একর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। বিভিন্ন সময়ে গড়ে ওঠা প্রায় ১০টির অধিক স্থাপনার সমন্বয়ে নির্মিত জমিদার বাড়ি। জমিদার বাড়ির স্থাপনা গুলোর মধ্যে রয়েছে প্রিয়নাথ ভবন, যদুনাথ ভবন, তহশীল কাচারি, জিউ মন্দির, দুর্গা মন্দির, নাট মন্দির, ইউরোপিয় ক্লাব ঘর, দাতব্য চিকিৎসালয়, আতুর ঘর ও রান্না ঘর।