বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বড় কসবা গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে নয় গম্বুজবিশিষ্ট এক প্রাচীন মসজিদ, যাকে স্থানীয়রা চেনেন ‘আল্লাহর মসজিদ’ নামে। জনশ্রুতি বলে, সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে জঙ্গল পরিষ্কার করতে গিয়ে একদল মানুষ এই মসজিদের সন্ধান পায়।

🖼️ এখানে আপনার নিজের ছবি যুক্ত করুন (প্রস্তাবিত মাপ: 1200 × 700 পিক্সেল)

ছবি: সংগৃহীত

ষাট গম্বুজের প্রতিচ্ছবি

মসজিদটির নকশা, গম্বুজবিন্যাস আর কারুকাজ দেখে ইতিহাসবিদরা মনে করেন এটি বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ ও খুলনার মসজিদকুঁড় মসজিদের সমসাময়িক। ৩৮ ফুট দৈর্ঘ্য-প্রস্থের এই বর্গাকার মসজিদের ছাদে তিন সারিতে সাজানো নয়টি গম্বুজ।

খান জাহানি স্থাপত্যরীতির সঙ্গে এমন নিবিড় সাদৃশ্য থাকায় ধারণা করা হয়, পঞ্চদশ শতকের মাঝামাঝি সময়েই তৈরি হয়েছিল এই মসজিদ।

এক দরবেশের সমাধি ও রক্ষণাবেক্ষণ

মসজিদের উত্তর দিকে রয়েছে দূত মল্লিক নামে এক মনীষীর মাজার, যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৪৮৩ খ্রিষ্টাব্দে। বর্তমানে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

সংক্ষেপে
  • নয় গম্বুজবিশিষ্ট বর্গাকার মসজিদ, আনুমানিক পঞ্চদশ শতকের নির্মাণ।
  • বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের স্থাপত্যরীতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
  • বর্তমানে সক্রিয় মসজিদ ও সংরক্ষিত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।

তথ্যসূত্র: প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে পুনর্লিখিত।