বঙ্গভবন আর রাজউক ভবনের ছায়ায় আজও ঘুমিয়ে আছেন দুই আউলিয়া। কীভাবে তাঁদের নাম হারিয়ে গেল একটি মসজিদের বদলে যাওয়া পরিচয়ে — সেই আখ্যান।
পুরো নিবন্ধ পড়ুন →৮১টি গম্বুজ, ৬০টি স্তম্ভ আর পাঁচ শতাব্দীর নীরব সাক্ষ্য — ইউনেস্কো স্বীকৃত এই মসজিদনগরীর অজানা কথা।
পড়ুন →লাল-সাদা ঘোড়ার নালের মতো খিলান, হাজার স্তম্ভের অরণ্য — কর্ডোবার সেই মসজিদ যা আজও ইতিহাসপ্রেমীদের মুগ্ধ করে।
পড়ুন →বারোবাজারের ১৫টির বেশি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বলে দেয় সুলতানি আমলের এক সমৃদ্ধ জনপদের গল্প, যা যুদ্ধ আর মহামারিতে হারিয়ে গিয়েছিল।
পড়ুন →জঙ্গল কেটে খুঁজে পাওয়া এক মসজিদের কোনো প্রতিষ্ঠাতা মেলেনি বলে মানুষ নাম রেখেছিল আল্লাহর মসজিদ — নয়টি গম্বুজের সেই স্থাপনার গল্প।
পড়ুন →শায়েস্তা খাঁর সেনাবাহিনীর হাত ধরে ১৬৬৭ সালে গড়ে ওঠা এই মসজিদ আজও দাঁড়িয়ে আছে বন্দরনগরীর প্রাচীনতম সাক্ষী হয়ে।
পড়ুন →মোগল সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ঈশা খাঁর রাজধানী থেকে পরিত্যক্ত পানাম নগরীর সারিবদ্ধ ভবন — সোনারগাঁওয়ের বহু স্তরের ইতিহাস।
পড়ুন →বাংলার বৃহত্তম জমিদার এস্টেটগুলোর একটি পুঠিয়া, যেখানে একগুচ্ছ মন্দিরের গায়ে খোদাই করা আছে পুরাণের কাহিনি।
পড়ুন →ঢাকার নবাব পরিবারের বাসভবন থেকে জাতীয় জাদুঘর — বুড়িগঙ্গা পাড়ের গোলাপি প্রাসাদের রূপান্তরের গল্প।
পড়ুন →খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকের পুণ্ড্রনগর থেকে আজকের মহাস্থানগড় — বাংলাদেশের প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক শহরের গল্প।
পড়ুন →