বগুড়া জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত মহাস্থানগড় বাংলাদেশের প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক নগর-স্থাপনা। প্রাচীনকালে এই স্থান পরিচিত ছিল পুণ্ড্রনগর নামে, যা মৌর্য সাম্রাজ্যের সময় থেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল বলে প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ থেকে জানা যায়।

🖼️ এখানে আপনার নিজের ছবি যুক্ত করুন (প্রস্তাবিত মাপ: 1200 × 700 পিক্সেল)

ছবি: সংগৃহীত

পুণ্ড্রনগরের সন্ধান

মহাস্থানগড়ে পাওয়া একটি ব্রাহ্মী শিলালিপি খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকের বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে মৌর্য প্রশাসনিক পরিভাষার উল্লেখ রয়েছে। এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে বাংলার নগর-সভ্যতার শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত।

একই মাটির স্তরে মিশে আছে মৌর্য, গুপ্ত, পাল আর সেন যুগের পরতে পরতে ইতিহাস।

প্রাচীর ঘেরা নগরী

প্রায় দেড় মাইল দীর্ঘ প্রাচীর আর পরিখা দিয়ে ঘেরা ছিল এই নগরী, যার ধ্বংসাবশেষ আজও দেখা যায়। পরবর্তী ইসলামি আমলে এখানে গড়ে ওঠে শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের মাজার, যা প্রাচীন আর মধ্যযুগীয় ইতিহাসের এক অনন্য সংযোগস্থল হয়ে আছে।

সংক্ষেপে
  • প্রাচীন নাম পুণ্ড্রনগর, বয়স আনুমানিক ২৩০০ বছরের বেশি।
  • ব্রাহ্মী শিলালিপি খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকের।
  • মৌর্য থেকে ইসলামি আমল পর্যন্ত বহু স্তরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।

তথ্যসূত্র: প্রকাশিত ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক বিবরণ অবলম্বনে পুনর্লিখিত।